বাজেট পেশের পর সাংবাদিক বৈঠকে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, রাজ্যে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করতে হলে তোলাবাজি ও কাটমানির সংস্কৃতি সম্পূর্ণ বন্ধ করা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, “রাজ্যে ব্যাপক বিনিয়োগ এবং নতুন শিল্প আনতে গেলে স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।”
বাজেট নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এবারের বাজেটে সব ক্ষেত্রকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এমন কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নেই যা বাদ পড়েছে। ফলে বিরোধীদের সমালোচনার বিশেষ সুযোগ রয়েছে বলে আমি মনে করি না।”
তিনি আরও জানান, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সীমিত সময়ের মধ্যেই এই বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে। শুভেন্দুর কথায়, “এটি মূলত আট মাসের বাজেট। সরকার গঠনের পর পূর্ণ ১২ মাসের আর্থিক পরিকল্পনা তৈরির মতো সময় আমাদের হাতে ছিল না। তারপরও রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নকে সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।”
উল্লেখ্য, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘভাতার (DA) ব্যবধান ধাপে ধাপে কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিকবার জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের তুলনায় রাজ্য সরকারি কর্মীদের যে ৪২ শতাংশের ব্যবধান রয়েছে, তা পর্যায়ক্রমে দূর করা হবে। এবারের বাজেটে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা সেই প্রতিশ্রুতি পূরণের দিকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।